মঙ্গলবার ২৬ জানুয়ারী ২০২১ || মাঘ ১৩ ১৪২৭ || ১২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

Logo

টিকার তালিকা নিয়ে ফখরুলের অভিযোগ

মো. ইলিয়াস স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

আপডেট: রবিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০২১

১৫২

টিকার তালিকা নিয়ে ফখরুলের অভিযোগ

সরকারের মন্ত্রী ও সমাজের উচ্চশ্রেণি মানুষের জন্য ভ্যাকসিনের তালিকা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, করোনার টিকা সংগ্রহ ও বিতরণে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো কর্মপরিকল্পনা নেই। সাধারণ মানুষ কীভাবে ও কখন ভ্যাকসিন পাবে সরকার তা বলছে না।

রোববার (৩ জানুয়ারি) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

ফখরুল বলেন, দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক মূল্য। চালের দাম বেড়েছে, ডালের দাম বেড়েছে, তেলের দাম বেড়েছে, শাখ-সবজীর দাম বেড়েছে। এটা এখন সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। এই কারণে আমরা দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির প্রতিবাদে আগামী ৭ জানুয়ারি সারাদেশে থানা পর্যায়ে মানববন্ধন করবে বিএনপি।

‘আমরা এও মনে করি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার দায়ে বানিজ্য মন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত। এই দাবিটিও আমাদের কর্মসূচি থাকবে।’

পৌর সভা নির্বাচনের ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, পৌর নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের যে ব্যর্থতা, তাদের যে উদাসিনতা, তাদের যে দুর্নীতি এবং পুরোপুরিভাবে বলা যেতে পারে একটা পক্ষপাতিত্ব নির্বাচন করবার যে উদ্দেশ্য সেগুলো বিরুদ্ধে আমরা বার বার বক্তব্য রেখে আসছি।

‘এই নির্বাচন কমিশন তারা ব্যালট বলুন আর ইভিএম বলুন কোনটাতেই সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন করার যোগ্য নয়। আমরা মনে করি, এই কমিশন একেবারেই সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনা করতে পুরোপুরিভাবে ব্যর্থ হয়েছে। অবিলম্বে কাল বিলম্ব না করে প্রধান নির্বাচনসহ সকল কমিশনারের পদত্যাগ করা উচিত একটা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে। নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগের দাবিতে আগামী ১০ জানুয়ারি পৌর সভা ও মহানগরীতে মানববন্ধন করবে বিএনপি।’

দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, চালের দাম কমছে না, বেড়েই চলেছে। যেটা আশঙ্কাজনক এবার চালের উতপাদন কম হয়েছে। যার ফলে মূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা আছে। সরকার যখন ২০০৮ সালে নির্বাচন করে তখন জনগণের কাছে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছিলো। তারা বলেছিলো ১০ টাকা কেজি চাল দেবে, বিনা পয়সায় সার দেবে এবং ঘরে ঘরে চাকুরি দেবে।

‘গতকাল পত্রিকায় বেরিয়ে যে, ১০ টাকা কেজি চালের ৭ লাখ কার্ড ভুয়া। এটা সরকারের খাদ্য অধিদপ্তর বলছে। তাহলে বুঝতে পারেন যে, এটা নিয়ে কি ধরনের দুর্নীতি চলছে। ১০ টাকা কেজি চাল কিনে তা ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি করা হচ্ছে বাজারে।সেটা সরকারি দলের মদদপুষ্ঠলোকরা করছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন ভাতা ও বিভিন্ন খাদ্য সাহায্য ওএমএস, কাবিখা, টিআর এর দুর্নীতি চরমভাবে চলছে। এখানে পুরোটাই দলীয়করণ করা হয়েছে।’

ফেসবুকে ফলো করুন