• বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
  • English English

জমকালো আয়োজনে বিপ্লবী জনতা ৩য় বর্ষপূর্তি উদযাপিত

প্রতিবেদকের নাম / ১০৪ শেয়ার
প্রকাশিত : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

বিশেষ প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল মিলনায়তনে বিপ্লবী জনতা পত্রিকার ৩য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী গতকাল শুক্রবার বিকালে কেক কেটে উদযাপন করা হয়। এসময় “করোনাকালীন সময় গণমাধ্যমের ভূমিকা” শীর্ষক আলোচনা সভা ও গুণীজন সংবর্ধনা প্রদান করেন।

পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মুহাম্মাদ আব্দুল মুতালিব এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক তথ্য ও সাংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী সৈয়দ দীদার বখত। স্বাগত বক্তব্যে বিপ্লবী জনতার পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক গোলাম ফারুক মজনু বলেন ‘গণমাধ্যম হচ্ছে সংগৃহীত সকল ধরনের মাধ্যম, যা প্রযুক্তিগতভাবে গণযোগাযোগ কার্যক্রমে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। প্রত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, ইন্টারনেট, বেতার এগুলোই গণমাধ্যম। সম্প্রচার মাধ্যম যা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া নামে পরিচিত।

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম। রাষ্ট্র বিনির্মাণে, সমাজকে সঠিক পথে পরিচালিত করার ক্ষেত্রে, সমাজ ও রাষ্ট্রের তৃতীয় নয়ন খুলে দেয়ার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিসীম। সকল সাংবাদিকদের সহযোগিতা নিয়েই আমরা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

বলাই হয়, সাংবাদিকতা ঝুঁকিপূর্ণ পেশা। কেন ঝুঁকিপূর্ণ? এ প্রশ্নের সহজ উত্তর হচ্ছে, এখানে জীবন-জীবিকার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছাস, মহামারি যাই হোক একজন সরকারি কর্মচারী মাস শেষে নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ পান। চাকরি শেষে অবসরকালেও তারা পেনশন পান। ফলে কর্মক্ষম থাকার সময় থেকে শুরু করে কর্মহীন অবস্থায়ও সরকারি কর্মচারীদের জীবন-জীবিকার নিশ্চয়তা রয়েছে। কিন্তু সাংবাদিকদের নেই। যে যত বড় প্রতিষ্ঠানেই কাজ করুন, যত মেধাবী হোন না কেন, কখন কী কারণে চাকরি যাবে তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। আবার চাকরি করলেও কবে কখন কোন তারিখে কোন মাসের বেতন পাবেন তারও কোনো নিশ্চয়তা থাকে না।

তবুও সাংবাদিকদের কলম চলে, ক্যামেরা কথা বলে। সমাজের নানা অনিয়ম-অনাচারের চিত্র তুলে ধরার কারণে অনেকের অকালে জীবনও যায়। তারপরও সাংবাদিকরা কাজ করেন, করে যাচ্ছেন নানা সংকটের মধ্য দিয়ে। যুদ্ধবিগ্রহ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও সাংবাদিকরা ঘরে বসে থাকেন না। প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সঠিক তথ্যের সন্ধানে বেড়িয়ে যান। খবর সংগ্রহ করে দেশ ও জাতিকে জানান।’

বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও ভিন্নমাত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক কবি মুহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ, সপ্তবর্ণা একাডেমীর ব্যবস্থাবনা পরিচালক আয়েশা জেসমিন, প্রতিবেশী কুটি শিল্প এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক রোকসানা দীপু, প্রজাপতি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কবি জেসমিন নূর প্রিয়াংকা, সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদ-এসএসপির সাংঠনিক সম্পাদক ও আলোকিত সময় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক হাসান আলম সুমন, শেরে বাংলা গবেষণা পরিষদের মহাসচিব আরকে রিপন, যুগ্ম মহাসচিব আলী আজগর মন্ডল, মানবাধিকার জোটের মহাসচিব মিলন মল্লিক, বাংলাদেশ মেধা বিকাশ সোসাইটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন অপু, বাংলাদেশ সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সোসাইটির চেয়ারম্যান শফিউদ্দিন অপু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জাগো বাংলাদেশ শিশু কিশোর ফেডারেশন এর সভাপতি মোঃ শিকদার।


এ সম্পর্কিত আরো সংবাদ

পুরাতন সব সংবাদ

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০